newsupded24x7.com

পৃষ্ঠাসমূহ

Featured Posts

Sports

Games

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

গল্প সংবাদ পত্র ফেসবুক মোবাইল ফোনে পরকীয় প্রেম

কোন মন্তব্য নেই :


বাড়ছে পরকীয় প্রেম ভাঙছে হাজারো ঘর
ভাই কি আর বলবো আমাদের এই আধুনীক যুগে কতকিছুই না দেখলাম এখনো আরো অনেক কিছু দেখার বাকি আছে । চলুন আজ মোবাইল ফোন ও ফেসবুক চ্যাট নিয়ে যে সংবাদটি পড়লাম পত্রিকায় তা নিয়ে আলোচনা করি । এবং পারলে নিজেরাও এমন কাজ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করি ।

দুই সন্তানের জননী সাদিয়া । বয়স ৪০ ছই ছই । জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে মাস্টার্স করেছেন সাদিয়া । কাজ করেন একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে । তার স্বামী এনামুল হক এনামও ভালো বেতনে কাজ করেন একটি প্রতিষ্ঠানে । এই দম্পতির দুই সন্তানই পড়ে ইংরেজি মাধ্যমিক স্কুলে । সবমিলিয়ে সুখের সংসার চলছিল তাদের । কিন্তু এই সুখ বেশিদিন দীর্ঘ হয়নি । শুরুটা হয় ২০১১ সালে ফেসবুক দিয়ে । ত্রিশ বছরের অবিবাহিত দেবাশীষকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান সাদিয়া ।

স্বাভাবিক নিয়মেই তাদের মধ্যে হাই হ্যালো চলতে থাকে দুইজনের মধ্যে । আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে চ্যাট । অফিসের কম্পিউটার থেকে মোবাইল ফোন পযন্ত । দিন নেই আর রাত নেই চ্যাট চলতেই থাকে । এর মধ্যেই সাদিয়া দেবাশীষকে জানান তার স্বামী বয়স্ক । টাকা পয়সা বেশি আছে বলে তার সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন সাদিয়ার মা বাবা । তাকে পেয়ে সাদিয়া সুখী নন । এই সুযোগটা কাজে লাগান দেবাশীষ । নিজের নিঃসঙ্গতার কথাও জানান দেবাশীষ । রাজধানীতে বেশ কয়েক বছর ধরেই থাকেন । দেবাশীষ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন । কিন্তু দেবাশীষের কোন বান্ধবী নেই । সাদিয়ার মতো গার্লফ্রেন্ড পেলে নিজেকে সুখী মনে করবেন । সেই থেকে শুরু । সাদিয়া আর দেবাশীষ আস্তে আস্তে জড়িয়ে যান গন্তব্যহীন এক সম্পর্কে ভেতরে । প্রযুক্তির কল্যাণে এমন সম্পর্কে আজকাল জড়িয়ে পড়ছেন অনেকেই । বিশেষ করে ফেসবুক এবং মোবাইলফোনে নারী পুরুষের সম্পর্ক প্রথমে বন্ধু হিসেবে গড়ে ওঠে ।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রথমে বন্ধুতা পরে তা প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়ে যায় । আর বেশি ক্ষেত্রেই অদেখা ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমে জড়াচ্ছেন বিবাহিতরা । এই সম্পর্কের প্রভাব এতো বেশি যে ধর্ম বর্ণ বয়সের বাঁধ না মেনেই তা এগিয়ে চলে । পরকীয়া এই প্রেমের ফলে অহরহ ভাঙছে বহু সংসার ।

সাদিয়া দেবাশীষের কাহিনী এখানেই শেষ না । তাদের মত আরো অনেকেই বুঝে না বুঝে এরকম অহর অহর ঘটনা ঘটাচ্ছেন । তারপর শুরু হলো তাদের ফোনালাপ । সাদিয়া তার অতি কাছের এক বান্ধবীর নামে ফোন নম্বরটি নিজের মোবাইলে সেভ করে রাখেন । কথা বলতে বলতে অনেকটা বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তারা । স্বামীর সামনে কথা বলতে না পারলেও দেবাশীষের কথা শুনা মিস করতে চান না সাদিয়া । তাই সাদিয়া অনেক সময় গান শুনার ভান করে কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে রাখেন । এমন মনে হয় যেন গানের সঙ্গে তাল মিলাচ্ছেন সাদিয়া হুম হ্যা জবাব দিয়ে চলেন । স্বামী বেচারা তার পাশেই শুয়ে থাকে । কি ঘটছে তা সে বুঝে উঠতে পারেন না । কখন কখন স্বামী অফিসে চলে গেলে সাদিয়াদের বাসায় আসতেন দেবাশীষ ।

এভাবে দীর্ঘদিন চলতে থাকে তাদের পরকীয় প্রেম । দুজনে এক সঙ্গে বিভিন্ন কফি শপ রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত করেন তারা । এই কারণে পরিচিতদের চোখে প্রায়ই ধরা পড়তো এই দৃশ্য । দেবাশীষের সঙ্গে প্রায়ই রিকশায় দেখা যেত তাকে । মাঝে মধ্যে সাদিয়াকে অফিসে পৌঁছে দেয়া এবং নিয়ে যাওয়ার কাজটিও করতেন দেবাশীষ । কাজের ফাকে কখনও কখনও ধানমন্ডি লেকে বসে গল্প করেন দুজনে । এরমধ্যেই সাদিয়া অফিস স্থানান্তরিত হলো তেজগাঁওয়ে তাতেও দেবাশীষের আসা যাওয়া বন্ধ হয়নি । কিন্তু সমস্যা দাঁড় হয় এক রাতে সাদিয়া তখন বাসার ফ্রেশরুমে ফ্রেস হচ্ছেন । এমন সময় মোবাইলফোনে মেসেজ এলার্ট বাঁজলো । এনাম অথাৎ সাদিয়ার হাজবেন্ড মোবাইলটি হাতে নিয়ে বাটন চাপতেই তার চোখে লেখা দেখলো ডার্লিং সম্বোধন করে লেখা । সাদিয়া এখন তোমাকে খুব মনে পড়ছে । আজ খুব হ্যাপি আমি আমাকে ধন্য করেছো তুমি । সাদিয়া ডালিং রোজ এভাবে চাই তোমাকে । বার্তাটি পড়ে অন্ধকার হয়ে আসে এনামের পৃথিবী। শুরু হয় তাদের স্বামী স্ত্রী এর মাঝে প্রচণ্ড ঝগড়া । কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেন না সাদিয়া । কথা বন্ধ দুই স্বামী স্ত্রীরির মধ্যে ।

চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে এনাম তাদের দুই সন্তানের দিকে ভালো করে চেয়ে আরও পর্যবেক্ষণ করতে চান । ফোনে কার সঙ্গে কথা বললেন সাদিয়া কখন অফিসে যায় কখন বাসায় ফিরে এইসব নানান বিষয়ে নজরদারি শুরু করেন । কিন্তু তাতেও বন্ধ হয় না সাদিয়া এবং দেবাশীষের প্রেম । এনাম যাতে তাকে সন্দেহ না করে তাই সাদিয়া স্বাভাবিক জামা কাপড় পরে অফিসে গেলেও পরে তা চেঞ্জ করে ভ্যানিটি ব্যাগে নিয়ে যাওয়া অন্য জামা পড়ে দেবাশীষ এর সাথে দেখা ও বেড়াতে যেতেন । কোন কোনদিন অন্তত এক ঘণ্টার মত সময় কাটাতেন দুজনে । আর এই যানজটের শহরে এরকম সময়ের ব্যাখা দেয়া কোন ব্যাপার ছিল না সাদিয়ার কাছে । এর মধ্যেই এক বন্ধুর মাধ্যমে এনাম জানতে পারেন সাদিয়া এবং এক যুবক রিকশায় যাচ্ছিলেন । যুবকটি তাকে জড়িয়ে ধরেছিল । এই কথা শুনে ক্ষুব্ধ হয়ে বাগবিতণ্ডার পরে সাদিয়াকে মারধর করেন তার স্বামী এনাম । এখন এনাম সাদিয়ার সংসারে ভাঙনের শব্দ প্রবল ।
শুধু সাদিয়া নয় সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক মোবাইল এর মাধ্যমে এভাবে অনেকেই প্রেমের সম্পর্কে জড়াচ্ছেন । ভাঙছে বহু সংসার ।

বিঃদ্রঃ ফেসবুক মোবাইলের এ ধরনের ঘটনা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে । নিজেদের জন্য না হয় আমাদের
সন্তানদের কথা চিন্তা করে ।

*~~প্রেম কবিতার ফুল~~*

কোন মন্তব্য নেই :


তুমি যে হাতে পড়েছ রেশমী চুড়ি
তোমার সে হাতে দেব একগুচ্ছ রঙ্গিন ঘুড়ি
কোন বই মেলায় তোমার আমার হয় যদি দেখা করে ভুল
সেখানেও দেব তোমায় এক গুচ্ছ প্রেম কবিতার ফুল ।
তুমি আমি এক সঙ্গে হাটবো পথে পান্তরে
থামবো সেথায় সেই নীল তেপান্তরে
সেখানে দিলে কেও বাঁধা
তাকে আমরা শেখাবো প্রেমের মালা গাথাঁ
একটি সময় এসে আমি হবো কৃষ্ণ
তুমি হবে বন্ধু রাঁধা ।
দুজনে নেব দুজনের সুভাস
হয়ে দিগন্ত হারা
দেখবে চেয়ে মাথার ওপর হয়ে ছায়া
আছে বনে যত কৃষ্ণচূড়া ফুল তারা ।।

পৃথিবীর কিছু আশ্চার্য গাছ এক নজর দেখে নিন । ছবি ব্লগ

কোন মন্তব্য নেই :


ছবিতে আপনারা যে গাছটি দেখতে পাচ্ছেন তা কোনো সাধারণ গাছ নয়। আজ থেকে প্রায় ১৪৫০ বছর আগের ঘটনা এটি। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর বয়স যখন ১২ বছর ছিল তখন এই গাছটি তাঁকে আল্লাহ তা’আলার ইশারায় নিরাপদ আশ্রয় দান করেছিল। আজও সেই গাছটি বেঁচে আছে। সুবাহানাল্লাহ। এই গাছটি একমাত্র জীবিত সাহাবী গাছ হিসাবে পরিচিত ।



এটা ভাই নারিকেলের গাছ ।



আজব চিড়িয়াখানা: ক্যাক্টাস প্রজাতির গাছ দিয়ে তৈরি নারী, হরিণ আর পাশেই দেখা যাচ্ছে একদল ঘোড়া ।


এই খেজুর গাছটির মাত্র ১৩ মাথা ।


আল্লাহু এই পৃথিবীতে কতকিছুযে আরো দেখার রাখছে ।


একটা আজব গাছ । দেখতে পুরোপুরি মানুষের মত ।







নারীফল গাছ । এটি এমন একটি গাছ যে গাছে মেয়েদের মত ফল ধরে ।
কেউ যদি গাছটি নিজের চোখে দেখতে
চান, তবে ব্যংকক থেকে ৫০০কিঃ মিঃ
দুরে পিটাচবন প্রভিনচ নামক স্থান থেকে
ঘুরে আসুন। তাহলে দেখতে পাবেন ।

ছবি ব্লগ

কোন মন্তব্য নেই :


মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি । পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর । এক সময় মহাস্থানগড়ও বাংলার রাজধানী ছিল । এখানে মৌর্য গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন রয়েছে । এর অবস্থান বাংলাদেশের বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় । এটি বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত ।


সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন ১০৮২ সাল থেকে ১১২৫ সাল পযন্ত যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল । মহাস্থানের রাজা ছিলেন নল যার বিরোধ লেগে থাকত সব সময় তার ভাই নীলের সাথে । এসময় ভারতের দাক্ষিণাত্যের শ্রীক্ষেত্র নামক স্থান থেকে এক অভিশপ্ত ব্রাহ্মণ এখানে অসেন পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে । কারণ তিনি পরশু বা কুঠার দ্বারা মাতৃহত্যার দায়ে অভিশপ্ত ছিলেন । পরবর্তীতে তিনিই এই দুই ভাইয়ের বিরোধের অবসান ঘটান এবং তিনি রাজা হন । ওই ব্রাহ্মণের নাম ছিল রাম । ইতিহাসের পাতায় বলে তিনি পরশুরাম নামে পরিচিত । কথিত আছে পরশুরামের সাথে ফকির বেশী আধ্যাত্মিক শক্তিধারী দরবেশ হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র:) এর যুদ্ধ হয়েছিল । কত সালের যুদ্ধে মারা যান তার কোন সঠিক তথ্য না মিললেও ধারণা করা হয় ১২০৫ সাল থেকে ১২২০সালের মধ্যে যে যুদ্ধ হয় সে যুদ্ধে পরশুরাম পরাজিত হয় এবং তার মৃত্যুও হয় ।



তবে মহাস্থান গড় বেড়াতে গেলে অনেক কিছু দেখার আছে । এ স্থানটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র । এখানে মাজার জিয়ারত করতে এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান হতে অনেক লোক সমাগম ঘটে। এখানকার দানবাক্সে সংরক্ষিত অর্থ বছরে কয়েক হাজার টাকা হয় । যা দিয়ে মাজার মসজিদের কর্মচারীদের বেতন এবং অন্যান্য উন্নয়ন কাজে ব্যবহৃত হয়।
মহাস্থান বাস স্ট্যান্ড থেকে কিছুটা পশ্চিমে হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী এর মাজার শরীফ আছে । অনেকের ধারনা বা জানা যায় তিনি মাছের পিঠে আরোহন করে তিনি বরেন্দ্র ভূমিতে আসেন । তাই তাকে মাহী সওয়ার বলা হয় । হযরত মীর বোরহান নামক একজন মুসলমান এখানে বাস করতেন । তিনি পুত্র মানত করে গরু কোরবানী দেয়ার অপরাধে রাজা পরশুরাম তার বলির আদেশ দেন এবং তাকে সাহায্য করতেই মাহী সওয়ারেরর আগমন ঘটে ।



গড়ের পশ্চিম অংশে রয়েছে ঐতিহাসিক কালীদহ সাগর এবং পদ্মাদেবীর বাসভবন । গড়ের পূর্বঅংশে রয়েছে করতোয়া নদী এর তীরে শীলাদেবীর ঘাট । শীলাদেবী ছিলেন পরশুরামের বোন । এখানে প্রতি বছর হিন্দুদের স্নান হয় এবং একদিনের একটি মেলা বসে ।এই ঘাটের পশ্চিমে জিউৎকুন্ড নামে একটি বড় কুপ আছে । এক সময় নাকি সেই কুপের পানি পান করে পরশুরামের অসুস্থ সৈন্যরা সুস্থ হয়ে যেত । তবে এর কোন ঐতিহাসিক ভিত্তি পাওয়া যায়নি । এটা লোক মনের ধারণা ।


মহাস্থান গড় খননের ফলে মৌর্য, গুপ্ত, পাল এবং সেন যুগের বিভিন্ন দ্রব্যাদিসহ অনেক দেবদেবীর মূর্তি পাওয়া গেছে যা গড়ের উত্তরে অবস্থিত জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে । মহাস্থান গড় ছাড়াও আরও বিভিন্ন স্থানের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এখানে সংরক্ষিত রাখা আছে ।
মহাস্থানগড় বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে একটি বৌদ্ধ স্তম্ভ রয়েছে যা সম্রাট অশোক নির্মাণ করেছিলেন বলে মনে করা হয় । স্তম্ভের উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট । স্তম্ভের পূর্বার্ধে রয়েছে ২৪ কোন বিশিষ্ট চৌবাচ্চা সদৃশ একটি গোসল খানা । এটি বেহুলার বাসর ঘর নামেই বেশি পরিচিত । মহাস্থানগড় জাদুঘরের ঠিক সামনেই গোবিন্দ ভিটা অবস্থিত ।




ছবি তথ্য ইন্টারনেট ।

ছোট ছবি ব্লগ

কোন মন্তব্য নেই :


এই বাড়ী টি ফ্লোরিয়ান Busch স্থপতি দ্বারা ডিজাইন করা । এটিShizuoka, জাপানের মধ্যে অবস্থিত একটি বাড়ী ।


এটি একটি বার । এটার নাম স্নানের আপ বার । এটি সাগরের উপরে অবস্থিত ।


এটাও স্নানের আপ বার ।


এটা একটি সাগরের উপরে বাড়ি ।


এটা আমাদের বাংলাদেশে চট্রগ্রামের খারগাছুড়ির ছবি ।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

কোন মন্তব্য নেই :

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

আবডেট নিউজ তিনদিন হরতালের ঘোষনা

কোন মন্তব্য নেই :



সরকারি বেসরকারি শিক্ষার্থীরা নতুন পদক্ষেপর ঘোষনা দিয়েছেন । তারা এখন আর টিউশন ফি এর উপর ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের ওপর আশ্বাস রাখতে পারছেন না তাই সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান শনিবার থেকে একটানা তিন দিনের হরতালের ঘোষণা দিয়েছেন ।
আর এ ঘোষনা দেন আজকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম নো ভ্যাট অন এডুকেশন এর সমন্বয়ক জ্যোর্তিময় চক্রবর্তী শুক্রবার স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ধানমণ্ডি ক্যাম্পাসে এক সংবাদ সম্মেলনে ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্র ধর্মঘটের এই ঘোষণা দেন । তিনি বলেন অবিলম্বে টিউশন ফির ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার এবং বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ইউজিসি মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য টিউশন ফি নির্ধারণের নীতিমালা প্রণয়নের দাবিতে আমরা ধর্মঘট পালন করব।